আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট:
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়েছে ইরানকে ঘিরে সামরিক অভিযানের খবরে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে United States ও Israel যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে—এমন তথ্য আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হয়ে উঠেছে।
বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা Ayatollah Ali Khamenei নিহত হয়েছেন। তবে এই তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি, ফলে বিষয়টি ঘিরে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
হামলায় সামরিক স্থাপনা, কৌশলগত অবকাঠামো ও প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট স্থানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবুও সংঘাত প্রশমনের কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় পুরো অঞ্চল অস্থির হয়ে উঠেছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, এই সংঘাত স্বল্পমেয়াদি নাও হতে পারে। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন আরও হতাহতের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth বলেছেন, এটি ইরাক যুদ্ধের মতো দীর্ঘমেয়াদি আকার নেবে না। বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্যই পরিস্থিতির জটিলতা ও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দেয়।
অন্যদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu জানিয়েছেন, নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চলবে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, প্রত্যাশিত ফল না আসায় কৌশল পুনর্বিন্যাসের চিন্তা চলছে।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা—তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক উদ্যোগ না নিলে সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক অস্থিরতায় রূপ নিতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন গভীর উদ্বেগ নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
Leave a Reply