ডেস্ক রিপোর্ট
১৬ মার্চ ২০২৬, সোমাবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে আফগানিস্তানের রাজধানী Kabul-এর এক হাসপাতালে পাকিস্তানি বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত এবং প্রায় ২৫০ জন আহত হয়েছে। এ মৃত্যুর মধ্যে বহু নারী ও শিশু রয়েছেন বলে আফগান সরকারি দল ও স্থানীয় কর্মকর্তারা দাবি করেছেন।
ঘটনাটি ১৬ মার্চ ২০২৬, স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে ঘটেছে, যখন শহরের একটি “Omid Addiction Treatment Hospital” নামে ড্রাগ চিকিৎসা কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে বলে আফগান সরকার জানিয়েছে। ওই হাসপাতালটিতে তখন সাধারণ মানুষ চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এবং আশপাশের জনসমাগম ছিল বেশী। হামলায় হাসপাতালের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে বিস্ফোরণ ও আগুন ধরে যায়।
আফগানিস্তানের তালেবান প্রশাসন পাকিস্তানের বিমান মোকাবেলায় এই হামলাকে “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ” হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং অভিযোগ করেছে, এতে অসংখ্য নারী-শিশু সহ নিরীহ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। আফগান কর্মকর্তারা দাবি করছেন হাসপাতালটি কোনো সামরিক লক্ষ্য ছিল না এবং সাধারণ জনগণই এতে আক্রান্ত হয়েছে।
পাকিস্তান সরকার এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলে, তাদের বিমান হামলা ছিল “সিরিয়াল সন্ত্রাসী ও বিদ্রোহী লক্ষ্যবস্তুর উপর কেন্দ্রিক” এবং তারা কোনো বেসামরিক অঞ্চলকে লক্ষ্য করেনি। পাকিস্তানি পক্ষ বলেছেন যে তারা কেবল সামরিক কার্যক্রম ও সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের অবকাঠামো ধ্বংসের উদ্দেশ্যেই অভিযান চালিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মহল এই হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থা সশস্ত্র সংঘাতের মধ্যে বেসামরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। হামলাটি আফগানিস্তান‑পাকিস্তান সম্পর্কের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে এবং পরিস্থিতির উন্নতি ও শান্তি ফেরাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
Leave a Reply