চোরাই সন্দেহে ৩২ মোটরসাইকেল উদ্ধার, তদন্তে জলঢাকা থানা পুলিশ
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
২০
Time View
মোঃ মোনাব্বেরুল হক, জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
নীলফামারীর জলঢাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাই সন্দেহে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজের পেছনে থাকা গোডাউনে অভিযান চালিয়ে এসব মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি আটক হওয়া কুখ্যাত মোটরসাইকেল চোর শাহিন-কে জিজ্ঞাসাবাদের সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। তার দেওয়া তথ্য ও সনাক্তকরণের ভিত্তিতে টেঙ্গনমারী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জলঢাকা থানা পুলিশ। পরে একটি গ্যারেজের পেছনে থাকা গোডাউন থেকে একে একে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া গ্যারেজ ও গোডাউনের মালিক মোঃ আব্বাস আলী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেন, শাহিন ও ফরিদুলসহ কয়েকজনের কাছ থেকে এসব মোটরসাইকেল কিনেছিলেন তিনি। একই সঙ্গে পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
তবে উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি গ্যারেজ মালিক। এ সময় গ্যারেজ থেকে কিছু কাগজপত্র ও মালিকানা সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা এখন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
পুলিশের ধারণা, দীর্ঘদিন ধরে চোরাই মোটরসাইকেল সংগ্রহ ও কেনাবেচার সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন জেলার চুরি হওয়া যানবাহনও থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে মোটরসাইকেল আনা-নেওয়া চলছিল। তবে এবার পুলিশের অভিযানে বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে।
জলঢাকা থানার ওসি নাজমুল আলম জানান, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলো থানায় এনে জব্দ রাখা হয়েছে। প্রকৃত মালিক শনাক্তের পর আদালতের মাধ্যমে সেগুলো হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ।
Leave a Reply