আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে সৌদি আরব। এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রিয়াদ।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ “পুনরাবৃত্তিমূলক এবং উসকানিমূলক” আচরণের অংশ, যা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। একই সঙ্গে এটিকে কুয়েতের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবেও আখ্যা দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের হামলা শুধু দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনাই বাড়াচ্ছে না, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে।
সৌদি আরব স্পষ্টভাবে জানায়, কুয়েত একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র, এবং তার ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের হামলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এ কারণে রিয়াদ এই ঘটনার প্রতি তার “দৃঢ় ও দ্ব্যর্থহীন প্রত্যাখ্যান” পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সংকটের এই মুহূর্তে সৌদি আরব কুয়েতের সরকার ও জনগণের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েতের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও নাগরিক সুরক্ষায় যে কোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে রিয়াদ পূর্ণ সমর্থন দেবে বলেও জানানো হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়তে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
Leave a Reply