1. tistanewsbd2017@gmail.com : Tistanewsbd : Md. Amdadul Hoque
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় শহীদ ৬ বাংলাদেশি পাচ্ছেন মরণোত্তর পদক

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ১৭ Time View

তিস্তা নিউজ ডেস্ক

আফ্রিকার আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘দাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ প্রদান করা হবে। আগামী ৫ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

জাতিসংঘের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শহীদ শান্তিরক্ষীদের পরিবারের সদস্যদের হাতে পদক তুলে দেবেন। একইসঙ্গে শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে নিহত সব সদস্যকে স্মরণে শ্রদ্ধা জানানো হবে।

২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আবেইতে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনী (ইউএনআইএসএফএ)-তে দায়িত্ব পালনের সময় এক ড্রোন হামলায় প্রাণ হারান বাংলাদেশি এই ছয় শান্তিরক্ষী। তারা হলেন—মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সবুজ মিয়া, মো. মাসুদ রানা, মো. মোমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা ও সান্ত মণ্ডল।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, এবারের অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে নিহত প্রায় সাড়ে চার হাজার শান্তিরক্ষীর স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এছাড়া গত বছরে নিহত ৫৯ জনসহ মোট ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে এই মর্যাদাপূর্ণ পদকে ভূষিত করা হবে।

বর্তমানে বিশ্বের ১১৮টি দেশ জাতিসংঘের ১১টি শান্তিরক্ষা মিশনে জনবল সরবরাহ করছে। এসব মিশনে প্রায় ৫০ হাজারের বেশি শান্তিরক্ষী কাজ করছেন কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে।

বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। বর্তমানে আবেই, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, সাইপ্রাস, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লেবানন, লিবিয়া, দক্ষিণ সুদান ও পশ্চিম সাহারাসহ বিভিন্ন মিশনে ২৭৭ জন নারীসহ চার হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৪৮ সালে প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন ‘ইউনাইটেড নেশনস ট্রুস সুপারভিশন অর্গানাইজেশন’ গঠনের স্মরণে ২৯ মে ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ পালিত হয়। ২০০২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।

এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘শান্তিতে বিনিয়োগ’, যেখানে বৈশ্বিক সংঘাত বৃদ্ধি ও সম্পদ সংকটের প্রেক্ষাপটে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে টেকসই রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস অতীত ও বর্তমান সব শান্তিরক্ষীর আত্মত্যাগ ও অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে সাহসিকতার জন্য ‘ক্যাপ্টেন এমবায়ে দিয়াগনে মেডেল ফর এক্সেপশনাল কারেজ’, ‘মিলিটারি জেন্ডার অ্যাডভোকেট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘ইউএন উইমেন পুলিশ অফিসার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 JaldhakaITPark
Theme Customized By LiveTV