সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শুরুটা ছিল ভয়াবহ, কিন্তু শেষটা আশাব্যঞ্জক—নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান তোলে টাইগাররা। জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য ২৬৬।
ইনিংসের শুরুতেই ধস নামে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। কিউই পেসার উইল ও’ররকির তোপে শূন্য রানে ফেরেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। এরপর সৌম্য সরকার কিছুটা আশা জাগালেও ১৮ রান করে তিনিও ও’ররকির শিকার হন। মাত্র ৩২ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।
এই সংকটময় মুহূর্তে হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। চতুর্থ উইকেটে ১৬০ রানের অসাধারণ জুটি গড়ে দলকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেন তারা। শুরুতে ধীরে খেললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন দুজনই।
লিটন দাস খেলেছেন দায়িত্বশীল ৭৬ রানের ইনিংস। ৯১ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় সাজানো তার এই ইনিংস শেষ হয় জেডন লেনক্সের ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়ে। সেঞ্চুরির পথে এগোলেও শেষ পর্যন্ত তা পূর্ণ করতে পারেননি তিনি।
অন্যদিকে ইনিংসের মূল ভরসা ছিলেন শান্ত। দারুণ ধৈর্য আর পরিমিত আগ্রাসনে ১১৯ বলে ১০৫ রান করেন তিনি, যার মধ্যে ছিল ৯টি চার ও ২টি ছক্কা। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি।
শেষ দিকে মেহেদী হাসান মিরাজের ২২ ও তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ৩৩ রানের ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ আরও শক্ত হয়।
শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে শান্ত-লিটনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২৬৫ রানের লড়াকু স্কোর দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ, যা সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের মঞ্চ তৈরি করেছে।
Leave a Reply