ডেস্ক রিপোর্ট:
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি–মার্চ মাসে ইরান ও Donald Trump প্রশাসনের সম্পর্ক এমন এক পর্যায়ে পৌঁছায় যেখানে কূটনৈতিক চেষ্টা ও সামরিক পদক্ষেপ একই সঙ্গে সংঘটিত হয়। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক পরমাণু আলোচনা জেনেভায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তেহরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধির বিষয়ে সীমাবদ্ধতা ও নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়ার বিনিময়ে ফের সমঝোতায় যাওয়ার প্রস্তুতি দেখিয়েছে। আলোচনাগুলো “তীব্র ও গঠনমূলক” ছিল এবং ভবিষ্যতে পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
কিন্তু কূটনৈতিক দরকষাকষির মাঝেই ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও Israel যৌথভাবে “Operation Epic Fury” নামে ইরানের কয়েকটি অঞ্চল লক্ষ্য করে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার ফলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হন এবং উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বাড়ে।
এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসন কূটনৈতিক চাপ ও রাজনৈতিক বিভাজনের মুখে পড়ে। একদিকে ট্রাম্প দাবি করেন যে ইরানের নতুন নেতৃত্ব আলোচনা চায় এবং তিনি সম্ভাব্য কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় আগ্রহী, অন্যদিকে হোয়াইট হাউস স্পষ্ট করে দেয় যে সামরিক পদক্ষেপই মুখ্য ফোকাস।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলও এই পরিস্থিতিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে; অনেক দেশ অঞ্চলীয় স্থিতিশীলতার জন্য সমাধান চান, আবার উপদ্রুত সংঘাতে শঙ্কা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসরায়েল ও সৌদি আরব ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ইরানবিরোধী অবস্থান নিয়েও আলাদা চাপ সৃষ্টি করেছিল।
এইভাবে কূটনৈতিক আলোচনার পর হামলা, সমালোচনা, আন্তর্জাতিক চাপ ও সম্ভাব্য সংলাপ—এগুলো মিলিয়ে একটি বড় কূটনৈতিক ঝড় তৈরি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।









সম্পাদক ও প্রকাশক
মোঃ এমদাদুল হক
ঠিকানাঃ জলঢাকা পেট্রোলপাম্প, সরকারপাড়া, নীলফামারী রোড।
মোবাঃ 01740983512
E-mail: tistanewsbd2017@gmail.com
Website: https://tistanewsbd.com
Leave a Reply