তিস্তা ডেস্ক রিপোর্ট
যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে ইরানে সামরিক হামলার গতি কমানোর কোনো পরিকল্পনা বা উদ্যোগ নেই, এবং চলমান “Operation Epic Fury” অভিযানকে তারা পূর্ণ শক্তিতে চালিয়ে যাবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও Israel যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে, যার উদ্দেশ্য তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের সামরিক ও দায়িত্বশীল কাঠামোকে দুর্বল করা বলে ওয়াশিংটন দাবি করেছে।
ওয়াশিংটন কর্তৃপক্ষের এক গোপন ক্যাপিটল হিল ব্রিফিংয়ে পেন্টাগনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে ইরান আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে আক্রমণের জন্য প্রস্তুত ছিল না, তবুও হামলার তীব্রতা কমানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে তাদের ভাষণে পুনরায় জোর দেওয়া হয়। তাঁরা বলেছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রোক্সি বাহিনীর কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে, এবং তাই তারা লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয়বার্ষিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে যে সামরিক অভিযান চালাতে থাকা অবস্থায় ইরানের প্রতি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপও জায়গা পেয়েছে, তবে হামলার তীব্রতা কমানো বা যুদ্ধ বিরতির কোন “অফ‑র্যাম্প” পরিকল্পনা নেই। দেশটির শীর্ষ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, “এটা একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত উদ্দেশ্যগুলো অর্জিত হচ্ছে।”
এই অবস্থানকে ঘিরে সংক্ষুব্ধ আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াও দেখা যাচ্ছে; অনেক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা বলেছেন যে পরিস্থিতি অবনতি ঘটছে এবং তারা দ্রুত কূটনৈতিক আলোচনার আহ্বান জানাচ্ছে, যদিও হামলার গতি কমানোর বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনও প্রকাশ পায়নি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন যে এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য সংকট সৃষ্টি করতে পারে এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতে বিভিন্ন অঞ্চলের দেশগুলো কূটনৈতিক সমাধান খুঁজতে উদ্যোগ নিতে বাধ্য হতে পারে।
এই পরিস্থিতি এখনো চলছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে “ধীরগতি” বা “সমঝোতা”র কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি—যা ইরানে হামলার গতি কমানোর ব্যাপারে তাদের অবস্থান কঠিন বলে প্রতিফলিত হচ্ছে।
Leave a Reply