1. tistanewsbd2017@gmail.com : Tistanewsbd : Md. Amdadul Hoque
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

ট্রাম্পের উঁকি দেওয়া নোটবুকটি আসলে কার, যা জানা গেল

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ২১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চীনে রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়ে একটি ছোট্ট ভিডিও ক্লিপকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের সময় ধারণ করা ওই ভিডিওতে দেখা যায়, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কিছু সময়ের জন্য আসন ছেড়ে উঠে গেলে ট্রাম্প টেবিলে রাখা একটি নথির দিকে ঝুঁকে তাকাচ্ছেন। মুহূর্তের এই দৃশ্যই পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তোলে।

ঘটনাটি ট্রাম্পের চীন সফরের দ্বিতীয় দিনে, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ে আয়োজিত এক যৌথ বৈঠকের সময় ঘটে। সেখানে দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু পুরো বৈঠকের তুলনায় কয়েক সেকেন্ডের এই মুহূর্তই বেশি আলোচনায় চলে আসে।

ভিডিওটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই শুরু হয় নানা রকম ব্যাখ্যা ও প্রতিক্রিয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের কেউ মজা করে লেখেন, ট্রাম্প নাকি শি জিনপিংয়ের ব্যক্তিগত ডায়েরি উল্টে দেখছিলেন। আবার কেউ ব্যঙ্গ করে বলেন, তিনি হয়তো মান্দারিন ভাষায় লেখা নথি পড়ার চেষ্টা করছিলেন। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ অনেকেই এই ক্লিপ শেয়ার করে হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করেন, ফলে বিষয়টি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

তবে একই সঙ্গে সমালোচনাও দেখা যায়। কিছু ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, এটি কূটনৈতিক শিষ্টাচারের বাইরে যেতে পারে এবং অনেকে ঘটনাটিকে নেতিবাচকভাবে ব্যাখ্যা করেন। কেউ কেউ আবার একে “অসম্মানজনক আচরণ” বলেও অভিহিত করেন।

পরবর্তীতে ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা সামনে আসে। একাধিক ব্যবহারকারী দাবি করেন, ভাইরাল ভিডিওটি আসলে সম্পাদিত এবং প্রসঙ্গবিচ্ছিন্নভাবে ছড়ানো হয়েছে। তাদের মতে, ট্রাম্প যে নথির দিকে তাকিয়েছিলেন সেটি শি জিনপিংয়ের ব্যক্তিগত ডায়েরি নয়, বরং মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক ফোল্ডার। ফোল্ডারে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সিলও দেখা যাচ্ছিল বলে তারা উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউজউইক জানায়, পুরো ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ভিডিও বিশ্লেষণে দেখা যায় শি জিনপিং আসন ছাড়ার পর ট্রাম্প টেবিলের একটি ফোল্ডারের দিকে ঝুঁকে তাকান। তবে সেটিকে আলাদা করে কেটে ছড়িয়ে দেওয়া অংশ থেকেই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।

ফ্যাক্ট-চেক সংস্থা আইভেরিফাই পাকিস্তানের তথ্য উদ্ধৃত করে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, ভাইরাল দাবিটি বিভ্রান্তিকর। তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আলোচিত নথিটি ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিজস্ব দাপ্তরিক ফোল্ডার, যা ভুলভাবে উপস্থাপন করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, কয়েক সেকেন্ডের একটি মুহূর্তই কাটা-ছেঁড়া ভিডিওর কারণে আন্তর্জাতিক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে এবং পরে ফ্যাক্ট-চেক প্রতিবেদনে আসল প্রেক্ষাপট পরিষ্কার হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 JaldhakaITPark
Theme Customized By LiveTV