আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
২০২৬ সালের ০২ মার্চ তারিখে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুনভাবে তীব্রতা পেয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করেছে যে তারা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী **বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু’র কার্যালয় এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে Kheibar ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়েছে, যা ইসরায়েলের “আইরন ডোম” প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করেছে বলে ইরানি পক্ষ বলেছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসরায়েলি শেভেল শহর বেইত শেমেশ এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৮–৯ জন ইসরায়েলি নাগরিক নিহত এবং দুশতাধিক আহত হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তেল আবিবসহ অন্যান্য শহরেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের খবর পাওয়া গেছে, যেখানে নাগরিকদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই হামলার পর ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা বৈঠক পরিচালনা করে পরিস্থিতি মোকাবেলার নির্দেশ দিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছে যে তারা ইসরায়েলের পাশে দাঁড়াচ্ছে এবং হামলার জবাব আরও কঠোরভাবে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই সংঘাতের প্রেক্ষাপটে লেবাননের হিজবুল্লাহ মত ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র চালিয়েছে, এবং ইসরায়েল ফলস্বরূপ লেবাননে বিমান হামলা চালিয়েছে।
এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আমেরিকা, ইউরোপ ও জাতিসংঘসহ অনেক দেশ উত্তেজনা হ্রাস ও শান্তিতে ফেরার আহ্বান জানাচ্ছে, কারণ চলমান ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে ফেলেছে।
Leave a Reply