ক্রীড়া ডেস্ক
১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরু থেকেই দুই ওপেনার আগ্রাসী ভঙ্গিতে ব্যাট চালান, দ্রুতই দলীয় সংগ্রহ পৌঁছে যায় ৪৪ রানে। তবে সেই গতি বেশিক্ষণ ধরে রাখা যায়নি।
ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে ন্যাথান স্মিথের বলে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান। ডিপ মিড উইকেটে বেভন জ্যাকবসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ১৬ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলে থামতে হয় তাকে। সাইফের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক লিটন দাস, যিনি শুরুটা কিছুটা সাবলীলভাবে করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি।
তানজিদ হাসানকে সঙ্গে নিয়ে রানের গতি ধরে রাখার চেষ্টা করেন লিটন। কিন্তু নবম ওভারের পঞ্চম বলেই আসে বড় ধাক্কা। ইশ সোধির মিডল স্টাম্পের ওপর করা একটি বল বড় শট খেলতে গিয়ে ব্যাটে না লাগিয়ে সরাসরি স্টাম্পে আঘাত করেন অধিনায়ক লিটন দাস। ১৫ বলে ২১ রান করে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে।
লিটনের বিদায়ে বাংলাদেশের ইনিংসে চাপ আরও বেড়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ দুই উইকেট দ্রুত হারিয়ে ব্যাটিং লাইনআপ কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায়। এখন ক্রিজে থাকা ব্যাটারদের ওপর নির্ভর করছে ইনিংসকে আবারও পথে ফেরানোর দায়িত্ব। নিউজিল্যান্ড বোলাররা ধারাবাহিক চাপ তৈরি করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিয়ে গেছে।
Leave a Reply