আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে গৃহীত সামরিক অভিযানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই নিহত হওয়ার পর (যা মার্কিন ও ইস্রায়েলি হামলার অংশ হিসেবে ঘটেছে), প্রশাসনিক শক্তি শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে এবং তেহরান থেকে মূল প্রতিক্রিয়া ও বিস্তারিত পরিস্থিতি আসতে শুরু করেছে।
এই সংঘাতের প্রেক্ষাপটে Donald Trump — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের sitting প্রেসিডেন্ট — ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে হোয়াইট হাউসে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস–এর সঙ্গে তথ্য সম্মেলনে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন যে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলা ইরানের সামরিক ও নেতৃস্থানীয় স্তরগুলোকে ব্যাপকভাবে দুর্বল করেছে এবং সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচিত অনেক মানুষ ইতিমধ্যে নিহত হয়েছে; তিনি বলেন, “Most of the people we had in mind are dead; now we have another group, they may be dead also,” সেই প্রসঙ্গে।
ট্রাম্প এমন কোনো সরাসরি “হত্যার ইঙ্গিত” বা হত্যার আহ্বান করেননি, বরং তিনি যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ইরানের ভবিষ্যৎ নেতাদের বিষয়ে কৌতূহল প্রকাশ করেছেন। তিনি ভবিষ্যতে “কাউকে ক্ষমতায় উঠতে” চাইবেন যিনি শরিয়াহ আইন ও সংহতি রক্ষায় আরও মধ্যপন্থী হতে পারেন, তবে তার মন্তব্যগুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
ইরান সরকার ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কূটনৈতিক শাখাগুলো ট্রাম্পের মন্তব্যগুলোর প্রতিক্রিয়ায় সতর্কবার্তা প্রদান করেছে, এবং সংঘাতের এই পর্যায়ে কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার আহ্বানও এসেছে।
Leave a Reply