ডেস্ক রিনপোর্ট:
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তেহরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে “Operation Epic Fury” নামে পরিকল্পিত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে নিশানা করা এবং দেশটির পরমাণু ও সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত করা। ওইদিন তেহরানসহ অন্যান্য শহরে ব্যাপক বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং নিরাপত্তা সংকট সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সরকারি সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে, ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের সিনিয়র সচিব ও সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইয়ের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা আলি শামখানি এই হামলায় নিহত হয়েছেন। তিনি ইরানের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতি নির্ধারণে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। হামলায় ইসলামিক রেভলিউশনরি গার্ড কোরস (আইআরজিসি)-এর এক শীর্ষ কমান্ডার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুরও নিহত হয়েছেন বলে সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
হামলার সময় তেহরানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা চরম সতর্কতামূলক ছিল, কিন্তু তাও প্রচন্ড ধ্বংসযজ্ঞ ও মৃত্যু ধারণ করা হয়। হামলার পরে ইরান রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জরুরি শোককাল ঘোষণা করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।
এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতারা এর প্রভাব ও অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এটিও জানানো হয়েছে যে, হামলা ইরানের ওপর আরও বৃহত্তর সামরিক উত্তেজনার সূচনা করেছে, যেখানে উভয় পক্ষের পাল্টা হামলার আশঙ্কা রয়েছে।
সংক্ষেপে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলায় তেহরানে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে উচ্চ পদের কর্মকর্তা আলি শামখানি নিহত হয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি বড় সংকট তৈরি করেছে।
Leave a Reply