ডেস্ক রিপোর্ট:
চীন মধ্যপ্রাচ্যের ইরান‑ইসরায়েল সংঘাতে ইরানকে সরাসরি সামরিকভাবে সমর্থন না দিয়ে বরং জ্বালানি নিরাপত্তা ও কূটনীতিকে প্রধান অগ্রাধিকার দিচ্ছে, এমন মনোভাব আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা ব্যক্ত করেছেন। চীন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করলেও, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে নিজস্ব স্বার্থকে বিপন্ন করতে চায় না। এতে শক্তিশালী কূটনৈতিক ভূমিকা পালন এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য বলে দেখা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং তেল আমদানিতে বিঘ্ন ঘটলেও ইরানের পক্ষে সরাসরি সহায়তা করার ঝুঁকি নেবে না, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েন চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। চীন ইতোমধ্যেই ২০২3 সালে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যকার বৈরীতার নিষ্পত্তিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে, যা বেইজিংয়ের কূটনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।
আরও বলা হয়, চীন মধ্যপ্রাচ্যে কেবল ইরানের সঙ্গে সীমাবদ্ধ সম্পর্ক নয়, বরং উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ব্যাপক বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করছে, যাতে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি প্রবাহ স্থিতিশীল রাখা যায় এবং সংঘাতের কারণে শক্তি সরবরাহে বিঘ্ন না পড়ে।
এই অবস্থান থেকে বোঝা যায়, চীন ইরানকে সরাসরি সামরিকভাবে সমর্থন না করে জ্বালানি নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে নিজের স্বার্থ রক্ষা করার পথে বেশি মনোযোগী।
Leave a Reply